ডেঙ্গু সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য - NTS Daily Science

Monday, August 5, 2019

ডেঙ্গু সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন, আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছন। বর্তমানে ডেঙ্গু একটি ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করেছে। ডেঙ্গু সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরলাম।











ট্রপিকাল অঞ্চলের একটি সাধারণ রোগ। বাংলাদেশ ও ভারত সহ দক্ষিণপূর্ব
এশিয়া,আফ্রিকা,ক্যারিবিয়ান,দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে এন্ডেমিক বা আঞ্চলিক রোগ হিসাবে ডেঙ্গু দেখা যায়। এ রোগের কারণে হাড়ে প্রচন্ড ব্যাথ্যা অনুভুত হয় বলে অনেকে একে হাড় ভাঙ্গা জ্বর বা (Break Bonone Fever) বলে থাকে।১৭৭৯ সালে প্রথম এ রোগের উল্লেখ পাওয়া যায় এবং ২য় বিশ্বযুদ্ধে সময় প্রায় ১১০ টি দেশে এ রোগ মহামারি আকার ধারণ করে।

যেভাবে ডেঙ্গু ছড়ায়ঃ-
ডেঙ্গু একটি ফ্লাভি ভাইরাসজনিত রোগ। এডিস মশা ( Aedes Aegypti) ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে । দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কিছু দেশে (Ades albopictus) বাহক হিসেবে দেখা যায় । শুধু মেয়ে মশা তার ডিম উৎপাদনের প্রয়োজনে দিনের বেলায় মানুষের রক্ত পান করে । মশার দেহে ভাইরাস স্থায়ী প্রকৃতির ও দ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি করে। মশার লালার সাথে রোগ জীবানু মানবদেহে প্রবেশ করে।

ডেঙ্গু রোগের লক্ষণঃ
সাধারণভাবে এ রোগ উপসর্গবিহীন (৮০%) অথাবা সাধারণ জ্বরের মতো। স্বল্প ক্ষেএে (৫%) জটিল ও প্রাণঘাতী হয়। ভাইরাসবাহী এডিস মশা কামড়ানোর ২-৭ দিনের মধ্যে রোগ প্রকাশ পায়।


লক্ষণ অনুসারে ডেঙ্গু জ্বর তিন প্রকারঃ-
১. স্বাভাবিক ডেঙ্গু জ্বর
২. হিমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর
৩. ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম


১. স্বাভাবিক ডেঙ্গু জ্বরঃ- 
জ্বর (১০৩- ১০৫ ডিগ্রি ফাঃ) মাথাব্যাথ্যা,পেশি ও গিটে ব্যাথ্যা, র‍্যাশ (ছোট ছোট আল ফুসকুড়ি)। মেরুদন্ড কোমরে ব্যাথ্যা এ রোগের বিশেষ লক্ষণ। চোখ নাড়াতে ব্যাথ্যা লাগে। ২-৩ দিন পড়ে র‍্যাশ মিলিয়ে যায়। সাধারণত জ্বর ৩-৬ দিন প্রলম্বিত হয়। ৩য় দিনে জ্বরের মাএা কমে গেলেও আবার বৃদ্ধি পায়।


২. হিমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বরঃ- সাধারণত ডেঙ্গু জ্বরের মতোই প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায়। তীব্র সংক্রমনে ৩-৪ দিন পর  দাতের মাড়ি, নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়।  ত্বকের নিচে,চোখের কোণে রক্ত জমাট বাধে। রক্তে অনুচক্রিকা খুব কমে যায়।


৩. ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমঃ- রক্তচাপ কমে যায়।

এই তিন ধরনের জ্বরের মধ্যে হিমোরেজিক জ্বর ও ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম অত্যন্ত মারাত্নক।


এ রোগের কোন অ্যান্টিভাইরাস এখন পর্যন্ত আবিস্কার হয়নি।তবে ভয়ের কারণ নেই। নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামায,ইবাদাত এবং ভালোভাবে নিজের যত্ন ও চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ থেকে পরিএাণ সম্ভব। ইনশাআল্লাহ। তবে শুধু রোগ না কোন বিপদে পড়লেও সবার প্রথমে  আল্লাহ তাআলার নিকট সরণাপন্ন হওয়া উচিত। কারণ শুধু আল্লাহ চাইলেই কেবল মাএ সব বিপদ থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। তাই আগে আল্লাহকে খুশি করা জরুরি। ভালো থাকবেন।
আসসালামু আলাইকুম 

2 comments: